Tags » Text

70% of Us Regularly Text the Wrong Person

Here are five results from a new survey that show you’re not alone:

1. 70% of people regularly send messages to the wrong person, and 40% have received a text that was meant for someone else. 127 more words

Features

70% of Us Regularly Text the Wrong Person

Do you find yourself accidentally sending texts to the wrong people all the time?  With hilarious results?  And by “hilarious” I mean humiliating and potentially devastating. 125 more words

Features

Text Study

All the text studies looking at fonts that could be used in the ebook including their variations in bold and italics for the body, header, and sub title. 21 more words

Creative Project

প্রশ্ন পা ছুয়ে সালাম করা যাবে? বিয়ের পর অনেক শ্বশুর শ্বাশুড়ী বাধ্য করে পা ছুয়ে সালাম করার জন্য, কি করবো?

প্রশ্নঃ পা ছুঁয়ে সালাম করা যাবে? বিয়ের পরে অনেক শ্বশুর-শাশুরি বাধ্য করে পা ছুঁয়ে সালাম করার জন্য, কি করবো? উত্তরঃ পা ছুঁয়ে সালাম করা, কদমবুসি করা বা পায়ে চুমু খাওয়া, পদধূলি নেওয়া – এ সবগুলো হচ্ছে মুশরেক জাতি হিন্দুদের অনুকরণে নিকৃষ্ট বিদআ’ত। মূলত কবর মাযার পূজারী আর পীর পূজারীরা মুসলমানদের মাঝে এই কুপ্রথা ঢুকিয়েছে। উল্লেখ করা যেতে পারে, এই বেদাতীরা কবর মাযার ও তাদের পীর বুজুর্গদেরকে সেজদাহ পর্যন্ত করে (নাউযুবিল্লাহ), সুতরাং পা ছুঁয়ে সালাম করা এদের কাছে কোন ব্যপারই না। আফসোস ! আজ পর্যন্ত কোনো হিন্দু বা কাফেরকে দেখলামনা মুসলমানদের কোনো কিছু অনুকরণ করতে। মুসলমান জাতি কেনো হিন্দুয়ানি কালচার ফলো করার জন্য এতো দিওয়ানা হবে? বিঃ দ্রঃ পা ছুঁয়ে সালাম করতে গেলে মাথা কোনো মানুষের সামনে ঝুঁকানো হয়, যা শিরক। মুসলমানদের মাথা শুধুমাত্র এক আল্লাহর সামনেই নত হয় – নামাযের রুকু ও সিজদাতে, অন্য কারো জন্য না। সমস্যা হচ্ছে, সমাজের অজ্ঞ লোকদেরকে নিয়ে – জানেনা ইসলাম একফোটা, ক্বুরান হাদীস না জেনেই বড় বড় ফতোয়া ছাড়ে আর নিরিহ বউদেরকে বাধ্য করে এই হারাম কাজ করার জন্য। দেবদাস মার্কা স্বামী খাম্বার মতো দাঁড়িয়ে থাকে – তার বউকে হারাম কাজে বাধ্য করা হচ্ছে, বাঁধা না দিয়ে বোবা শয়তান সেজে বসে থাকে। মোস্ট প্রবাবলি, এই ধরণের লোকগুলো মানুষকে খুশি করার জন্য নিজেও শ্বশুড়বাড়ি গিয়ে পায়ের ধূলা নেওয়ার জন্য অন্যের পায়ের উপর হুমড়ি খেয়ে পড়ে। এদেরকে ইসলাম শেখানো জরুরী, এদের মূর্খতার কারণে পুরো সমাজে বিপর্যয় দেখা যাচ্ছে, নিজে ইসলাম জানেনা – অন্যদের ইসলাম পালনে বাঁধা সৃষ্টি করে। সমাজের লোকেরা পাপ কাজে লিপ্ত থাকলে যদি আযাব আসে, সেটা কিন্তু ভালো-মন্দ সবাইকে স্পর্শ করে। তাই আমাদের মুসলমানদেরকে জমীন থেকে শিরক ও বেদাত উৎখাত করার জন্য ক্বুরান ও সুন্নাতের দাওয়াত ও তাবলীগে আরো বেশি মনোযোগী হতে হবে। যেই প্রসংগে কথাগুলো বলাঃ শ্বশুড়-শ্বাশুড়ি আশা করলেই যে সব আশা পূরণ করতে হবে এমন না, হারাম কাজে তাদের কেন, স্বামীর আদেশও মান্য করা যাবেনা। ইসলামের বিধান হচ্ছেঃ জায়েজ কাজে স্বামীর আনুগত্য করতে হবে, যদিও সেটা কোনো স্ত্রীর ভালো না লাগে বা সে ঐ বিষয়ের সাথে একমত না হয়। কিন্তু, স্বামী যদি এমন কোনো কথা বলে, যা কুরআন ও সুন্নাহর বিপরীত তাহলে সেটা মানা যাবেনা। আজকাল অনেক মুসলিম(!) পুরুষ তার স্ত্রী পর্দা করুক পছন্দ করেনা, এই ব্যাপারে স্বামীর অনুগত্য করা চলবেনা। এ প্রসংগে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “খালিক (সৃষ্টিকর্তার) অবাধ্য হয়ে কোনো মাখলুকের (সৃষ্টির) আনুগত্য নেই।” মুসনাদে আহমাদ ও হাকিম। আর কেউ যদি মানুষকে খুশি করার জন্য আল্লাহর আদেশ অমান্য করে তাহলে তার পরিণতি সম্পর্কে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি মানুষকে সন্তুষ্ট করার আল্লাহ তাআ’লাকে অসন্তুষ্ট করে, তাহলে আল্লাহ তাআ’লা তার প্রতি অসন্তুষ্ট হন। পরিণতিতে আল্লাহ তাআ’লাকে অসন্তুষ্ট করিয়া যাদেরকে সে সন্তুষ্ট করিয়াছিল, তারাও অসন্তুষ্ট হয়। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে মানুষকে অসন্তুষ্ট করে, আল্লাহ তাআ’লা তার প্রতি সন্তুষ্ট হন এবং আল্লাহ তাআ’লাকে সন্তুষ্ট করার জন্যে যাহাদেরকে সে অসন্তুষ্ট করেছিলো, তাদেরকেও আল্লাহ তাআ’লা সন্তুষ্ট করেন। সেই সব অসন্তুষ্ট লোকদের দৃষ্টিতে আল্লাহ তাআ’লা তাকে উত্তম করে দেন, সেই ব্যাক্তির কথা ও কাজকে তাহাদের দৃষ্টিতে শোভণীয় করে দেন।” [সুনানে আত-তিরমিযী] (সংগ্রহীত পোস্ট)

ঈমান ও আকীদাহ

Execution

Planning and having a plan are not one and the same.  The key is turning the plan into action is Execution.  Execution requires more than the plan.  109 more words

Text

Evidence

Evidence that i have been doing my work.

Post with image ~

Post with sound ~

Post with text ~

Post with video ~

Front page ~ 38 more words

Level 5

দোয়া কবুলের উপযুক্ত সময়

<<< যে সময়ে দোয়া করলে আল্লাহ তা’লা অবশ্যই কবুল করেন >>> ১- আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময় “রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : আযান ও ইকামাতের মধ্যবর্তী সময়ে দোয়া ফেরত দেয়া হয় না। সুতরাং তোমরা দোয়া কর”। (তিরমিজী ও আহমদ) [নারীদের জন্য বলছি, আজান হওয়ার পর ইকামত ১৫-২০ মিনিট পরে হয়, সুতরাং প্রত্যেক আজান হওয়ার পর এই ১৫-২০ মিনিট যতোখুশি দোয়া করুন] ২- সিজদার মধ্যে “রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী হয় যখন সে সেজদারত থাকে। সুতরাং তোমরা এ সময় বেশি করে দোয়া কর”। (আবু দাউদ ও নাসায়ী) ৩- রাতের শেষ তৃতীয়াংশে এটা এমন এক সময় যখন দোয়া কবুল করার জন্য আল্লাহর ঘোষণা রয়েছে। “রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : আমাদের প্রতিপালক প্রতি রাতে পৃথিবীর আকাশে অবতরণ করেন, যখন রাতের এক তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকে। তখন তিনি বলেন : কে আছে আমার কাছে দোয়া করবে আমি কবুল করব? কে আমার কাছে তার যা দরকার প্রার্থনা করবে আমি তাকে তা দিয়ে দেব? কে আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে আমি ক্ষমা করে দেব”।(বুখারী) ৪- সিয়াম পালনকারী, মুসাফির এবং সন্তানের পক্ষে/বিপক্ষে মাতা- পিতার দোয়া “রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “৩ শ্রেণীর দোয়া রয়েছে যা ফেরত দেওয়া হয় না। ১- পিতামাতার দোয়া। ২- সিয়াম পালনকারীর দোয়া। ৩- মুসাফিরের দোয়া”।(সিলসিলাহ সহিহাহ) সহিহ হাদিসে দোয়া কবুলের আরও অনেক সময় বর্ণিত হয়েছে তবে ৪টা উল্লেখ করলাম যাতে করে মনে রাখা সম্ভব হয়, এই সময়গুলোতে আমাদের দুনিয়া ও আখিরাতের যার যা চাওয়া রয়েছে সরাসরি আমাদের রব মহান আল্লাহ্র কাছে আমরা চেয়ে নিতে পারি আর আল্লাহ্র পক্ষ থেকে ১০০% নিশ্চয়তা রয়েছে তিনি আমাদের দোয়া অবশ্যই কবুল করবেন। আল্লাহ্র পক্ষ থেকে দোয়া কবুলের পূর্ণ নিশ্চয়তা থাকার পরেও যারা বিপদে পড়লেই সরাসরি আল্লাহকে না ডেকে তাদের মনোবাসনা পুরনের জন্য মাজারে ছুটে যায় বা যায় কোন পীরের কাছে বা যেখানেই যাক, তারা আল্লাহ্র বিধান সম্পর্কে একেবারেই অজ্ঞ।

কুরআন ও সহিহ হাদিসের জান্নাত ও জাহান্নাম